রয়া তাসনিমের হাজবেন্ড রনি যিনি মারধর করেছিল তিনি লাইভে এসে সবকিছু খোলাসা করেছেন এই মাত্র। দীর্ঘ ৩৮ মিনিট দৈর্ঘ্যের লাইভ দেখে যা বুঝলাম।
প্রথমত: তার স্ত্রী রয়া তাসনিমের উপর মারধর করার কারণ ছিল তার স্ত্রী পরকিয়া করা অবস্থায় কট খেয়েছিল এবং সেটার জেরেই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পেরে স্ত্রীর সাথে হাতাহাতি চলে এবং এরই একপর্যায়ে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গিয়ে নাক ফেটে যায় আর তারই প্রেক্ষিতে প্রচন্ড ব্লিডিং হয়। এইটার জন্য তার স্বামী রনি অনুতপ্ত এবং সে শাস্তিস্বরূপ জেল খেটে মুক্তি পেয়েছে।
দ্বিতীয়ত: তার স্ত্রী রয়া তাসনিম পূর্বেও তিনটি বিয়ে করেছে এসবের দুই বিয়ের কথা সম্পূর্ণ গোপন রেখেছে এবং তৃতীয় স্বামীর সাথে পরপর দুইবার ডিভোর্স দিয়ে(প্রথম ডিভোর্সের পর আবার পারিবারিকভাবে ঐ একই স্বামীর সাথে বিয়ে বসার কয়েক মাস পর আবার ডিভোর্স দেয়) তারপর এই স্বামীর সংসারে তৃতীয় স্ত্রী হিসেবে আসে। এই স্বামীর পূর্বের দুই বিয়ে সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত ছিল এই নারী, সব জেনেই এই নারী বিয়ে বসেছে। মজার ব্যাপার হলো এই মহিলার কোলে চতুর্থ স্বামীর সন্তান আসার পরপরই স্বামীকে তার পূর্বের দুই স্ত্রীকে ডিভোর্স দেওয়ার জন্য ফোর্স করতে থাকে পাশাপাশি এই মহিলা তার চতুর্থ স্বামীর সন্তানকে স্বামীর কাছ থেকে প্রায় দশ মাসের মত বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে এবং তার চতুর্থ স্বামী সন্তানের সাথে দেখা করতে গেলে সেটাকে হত্যার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রচার করে সিম্প্যাথি কুড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।
তৃতীয়ত: এই মহিলা(রয়া) প্রথম প্রথম দুই স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে ৬০-৮০ লক্ষ টাকার মত হাতিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি চতুর্থ স্বামীর কাছ থেকে মিনিমাম ২৫ ভরি স্বর্ণ হাতিয়ে নেয় এবং ঘর থেকে ফার্নিচার চুরি করে নিয়ে গিয়ে ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে। ইভেন এই মহিলা এখনও চাচ্ছে চতুর্থ স্বামীর সাথে মোটা অংকের বিনিময়ে আপোষ করতে যার ফলস্বরূপ মারধরের ছয় মাসের ভেতর কোনো স্ট্রং লিগ্যাল স্টেপ না নিয়েই বরঞ্চ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তার চতুর্থ স্বামীর বিরুদ্ধে জনমত দাঁড় করিয়েছে।

0 মন্তব্যসমূহ